এবার বিদ্যুৎ গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলো জ্বলবে

0
887

ইলেকট্রিক্যাল ও  ইলেক্ট্রনিক সার্কিটের জগতে এক বিস্ময়কর নাম হল জুল থিফ সার্কিট যা বাংলা অর্থ দাঁড়ায় শক্তি চোর। আসলেই এটা অনেকটা চোরের মতই কাজ করে।

কেমন আছেন বন্ধুরা?? টেকমাস্টার ব্লগের পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা। এটা টেকমাস্টারে আমার প্রথম ব্লগ। এখানে আমি চেস্টা করবো খুব সহজ ভাষায় কিছু প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করতে।

তাহলে চলুন একটা সার্কিট বানিয়ে ফেলি

আপনাদেরকে সবার প্রথমে অন্য ১টা জিনিসের ব্যাপারে ধারনা দেয়া দরকার। আপনারা অনেকেই হয়ত এল ই ডি বাল্ব এর নাম শুনেছেন। LED means “Light emitting Diode”.

ডায়োড হল সিলিকন এর তৈরি এমন এক জিনিস যার ২ মাথা আছে, দেখতে অনেকটা রোধক এর মত কিন্তু এটা শুধুমাত্র একদিকে তড়িৎ প্রবাহে অনুমতি দেয়। অর্থাৎ অনেকটা পানির লাইনের ভাল্ভ এর মত কাজ করে।

আর এল ই ডি হল এক ধরনের ডায়োড যার ভেতর দিয়ে নির্দিস্ট দিকে তড়িৎ প্রবাহ করলে এতে আলো জ্বলে। নরমাল ফিলামেন্ট বাল্বের মত এতে ব্যাটারি লাগালেই আলো জ্বলে না। ১ টা নির্দিস্ট মানের ভোল্টেজ বা তার বেশি ভোল্টেজ পজিটিভ দিকে দিলে তবেই আলো জ্বলে। একে বলে বায়াসিং ভোল্টেজ।

উদাহরনঃ এলইডির রঙ ও বায়াসিং ভোল্টেজ এর মান
লাল – ১.৭ ভোল্ট ।। সবুজ – ১.৮ ভোল্ট ।। সাদা – ৩ ভোল্ট ।। নীল – ৫ ভোল্ট
ছবিতে ২ যায়গায় দেখানো হয়েছে কিভাবে কোন এলইডির + – কোনটা তা বের করতে হয়।
তো আমরা আজকে একটা জুল থিফ সার্কিট এর সাহায্যে একটা পরিত্যক্ত ১.৫ ভোল্ট ব্যাটারি দিয়ে ৫ ভোল্ট এর ১ টা নীল এলইডি জালাব।
দেখুন ছবির সার্কিট কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। লাল বাক্স চিহ্নিত অংশটুকু হল জুল থিফ। আর বাকিটুকু হল আপনাদের জন্য বোনাস আকর্ষন, ওটুকু হল লাইট ডিটেক্টর সার্কিট।;);)

Please comment Here (ভাল লাগলে কমেন্ট করুন)