অধ্যবসায় রচনা pdf

0
963
অধ্যবসায় রচনা pdf , অধ্যবসায় রচনা ssc , অধ্যবসায় রচনা jsc , অধ্যবসায় রচনা Hsc 

ভূমিকা:

‘কেন পান্থ ক্ষান্ত হও, হেরি দীর্ঘ পথ
উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?’
– কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
সময়ের সাথে জীবন, জীবনের সাথে কর্ম ও অধ্যবসায়- একই বিনিসুতোর মালায় গাঁথা। একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটি কল্পনা করা যায় না। এ পৃথিবীতে যে-কোনো কাজ করতে গেলেই সফলতা ও নিষ্ফলতা উভয় প্রকার ঘটনাই ঘটে থাকে। অধ্যবসায় সফলতার চাবিকাঠি। অধ্যবসায় ছাড়া মানবজীবনে উন্নতির আশা কল্পনা মাত্র।
অধ্যবসায় কী:
উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রবল উদ্যম, অবিরাম সাধনা আর ক্রমাগত চেষ্টার নামই অধ্যবসায়। দৃঢ় প্রত্যয়, অক্লান্ত পরিশ্রম, একটানা যত্নশীল উদ্যোগের উপস্থিতি দেখলেই তাকে অধ্যবসায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
অধ্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য :
‘পারিব না এ কথাটি বলিও না আর
কেন পারিবে না তাহা ভাবো একবার
পাঁচজনে পারে যাহা, তুমিও পারিবে তাহা
পারো কি না পারো করো যতন আবার
একবার না পারিলে দেখ শতবার।’
ক্রমাগত প্রচেষ্টার নাম অধ্যবসায়। উদ্যোগ, পরিশ্রম, আন্তরিকতা প্রভৃতি গুণ একত্র হয়ে অধ্যবসায়ের পরিপূর্ণ রূপ সৃষ্টি করে। সুদৃঢ় সংকল্প সহযোগে কোনো কাজে আত্মনিয়োগ করার সঙ্গে সঙ্গে চরিত্রের অন্য গুণ যখন সক্রিয় থাকে, তখনই অধ্যবসায়ের পরিচয় পরিলক্ষিত হয়। জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য অধ্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য কর্মপ্রবাহে সঞ্চার করতে হয়। এতে সহজতর হয় জীবনের পরিপূর্ণতা লাভের পথ। হৃদয়ের প্রবল শক্তি ও অপার সাহস দিয়ে জয় করতে হয় জীবন-সংসারের সমগ্র বাধা।
অধ্যবসায়ের গুরুত্ব:
মানবসভ্যতার মূলে রয়েছে অধ্যবসায়ের এক বিরাট মহিমান্বিত অস্তিত্ব। মানবজীবনের যেকোনো কাজে বাধা আসতে পারে; কিন্তু সে বাধাকে ভয় করলে চলবে না। জন লিলির মতে, ‘জীবনের সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে জীবনকে অস্বীকার করা।’ রাতের আঁধার পেরিয়ে যেমন দিনের আলো উদ্ভাসিত হয়, ঠিক তেমনি বারবার প্রচেষ্টার ফলে মানুষের ভাগ্যাকাশে উদিত হয় সাফল্যের শুকতারা। অধ্যবসায়ের গুণেই মানুষ বড় হয়, অসাধ্য সাধন করতে পারে। তাই পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থেই অধ্যবসায়কে চিহ্নিত করা হয় একটি চারিত্রিক গুণ হিসেবে। যে অধ্যবসায়ী নয়, মনের দিক থেকে সে পঙ্গু, সমাজে তার দ্বারা কোনো মহৎ কাজ সম্ভব নয়। পৃথিবীর বিখ্যাত শিল্পী, সাহিত্যিক, বৈজ্ঞানিক, সেনানায়ক, ধর্মপ্রবর্তক—সবাই ছিলেন অধ্যবসায়ী। অধৈর্য বা বিরক্ত হয়ে কাজের চেষ্টা ছেড়ে দিলে তা কখনো শেষ হবে না। নিরাশা বা ব্যর্থতাকে জয় করার প্রধান উপায় হচ্ছে অধ্যবসায়।
অধ্যবসায় ও মানুষ:
অধ্যবসায় মানব চরিত্রের একটি উৎকৃষ্ট গুণ। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে মানুষ চেষ্টা ও সাধনা সহযোগে গড়ে তুলছে জীবনকে; সফল, সুন্দর ও সার্থক করেছে পৃথিবীকে। শান্তচিত্তে প্রতিকূলতাকে জয় করার মূলে রয়েছে অধ্যবসায়। নিরন্তর অনুশীলনেই এ বৃত্তির বিকাশ সাধিত হয়। অধ্যবসায়ের মাধ্যমেই মানুষ গড়ে তুলেছে রোম নগরী, মিসরের পিরামিড, চীনের মহাপ্রাচীর, ব্যাবিলন ও সিন্ধু সভ্যতা। বলা হয়, “Failure is the pillar of success.” মানুষ যদি একবার পরাজিত হয়েই দুঃখ-গ্লানিতে নিজেকে ব্যর্থ মনে করে, তাহলে তার উন্নতি জীবনে কখনো সম্ভব নয়।
অধ্যবসায় ও প্রতিভা:
প্রতিভা ও মেধা ছাড়া কোনো কঠিন কাজে সফলতা আসে না বলে অনেকের বিশ্বাস; কিন্তু নিরলস পরিশ্রম ও অধ্যবসায় না থাকলে শুধু প্রতিভা দ্বারা কোনো কাজে সাফল্য অর্জন করা যায় না। বস্তুত মানবজীবনের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করতে হলে অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই। এতদ প্রসঙ্গে বিজ্ঞানী নিউটন বলেছেন, ‘আমার আবিষ্কারের কারণ প্রতিভা নয়, বহু বছরের চিন্তাশীলতা ও পরিশ্রমের ফলে বিজ্ঞানের দুরূহ তত্ত্বগুলো আমি ধরতে পেরেছি।’ এ বক্তব্যেরই অনুরণন লক্ষ করা যায় দার্শনিক ভলতেয়ারের উচ্চারণে—‘প্রতিভা বলে কিছু নেই। পরিশ্রম ও সাধনা করে যাও, তাহলে প্রতিভাকে অগ্রাহ্য করতে পারবে।’ বিজ্ঞানী ডাল্টনও স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করছেন—‘লোকে আমাকে প্রতিভাবান বলে, কিন্তু আমি পরিশ্রম ছাড়া কিছুই জানি না।’
অধ্যবসায়ের উদাহরণ:
জগতে যত বড় শিল্পী, সাহিত্যিক, বৈজ্ঞানিক, সেনানায়ক, ধর্মপ্রবর্তক রয়েছেন, তাঁদের সবাই ছিলেন অধ্যবসায়ী। ইতিহাসের পাতায় পাতায় রয়েছে তার দৃষ্টান্ত। মহাকবি ফেরদৌসি দীর্ঘ তিরিশ বছর ধরে রচনা করেছিলেন অমর মহাকাব্য ‘শাহনামা’। জ্ঞানেন্দ্রমোহন দশ বিশ বছরের একক প্রচেষ্টায় রচনা করেন পঞ্চাশ হাজারের বেশি শব্দ সংবলিত বাঙলা ভাষার অভিধান। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই নিজের চেষ্টা ও সাধনায় দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে সংগ্রহ করেছিলেন দু’হাজার প্রাচীন পুঁথি, যার ফলে বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রায় চার’শ বছরের ইতিহাসের অজানা অধ্যায় উদ্ঘাটিত হয়। ১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দে বেরোয় জনসনের বিখ্যাত অভিধান ‘এ ডিকশনারি অফ দি ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ’ যাকে ইংরেজ জাতি গ্রহণ করে এক মহৎ কীর্তিরূপে : ফরাসিরা যা সম্পন্ন করেছে একাডেমির সাহায্যে ইংরেজ তা করেছে এক ব্যক্তির শ্রমে-মেধায়, এ-তৃপ্তি পাওয়ার সাথে সাথে ভাষার মানরূপ শনাক্তির জন্যে একাডেমি প্রতিষ্ঠার সমস্ত স্বপ্ন ত্যাগ করে ইংরেজ। মনীষী কার্লাইল অনেক বছরের শ্রমে ফরাসি বিপ্লবের এক অসামান্য ইতিহাস লিখেছিলেন। এ-সবই অধ্যবসায়ের ফসল। স্কটল্যান্ডের রাজা রবার্ট ব্রুস অধ্যবসায়ের আর এক জীবন্ত উদাহরণ। অগণিত ইংরেজ সৈন্যের সাথে পুনঃপুন যুদ্ধে পরাজিত হয়ে পলায়ন করতে বাধ্য হয়েও রবার্ট ব্রুস ইংরেজ বাহিনীকে পরাজিত করার বাসনা ও চেষ্টা পরিত্যাগ করেন নি। বরং একনিষ্ঠ অধ্যবসায়ের ফলে তিনি যুদ্ধে জয়ী হন। এমনিভাবে স্যার ওয়াল্টর স্কট প্রমুখ ব্যক্তিগণও বার বার ব্যর্থ হয়েও অধ্যবসায়ের দ্বারা প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন। মহাবিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন নিজেই স্বীকার করেছেন বিজ্ঞানে তাঁর অবদানের মূলে আছে বহু বছরের একনিষ্ঠ ও নিরবচ্ছিন্ন শ্রম। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বলেছেন,
“Impossible is a word, which is only found in the dictionary of fools.”
অধ্যবসায়ীর জীবনাদর্শ:
জীবনসংগ্রামে সাফল্য লাভের মূলমন্ত্র হচ্ছে অধ্যবসায়। অর্ধ পৃথিবীর অধীশ্বর নেপোলিয়ন তাঁর জীবনকর্মের মধ্য দিয়ে রেখে গেছেন অধ্যবসায়ের অপূর্ব নিদর্শন। কোনো কাজকে তিনি অসম্ভব বলে মনে করতেন না। তাই তিনি একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও ফরাসি জাতির ভাগ্যবিধাতা হতে পেরেছিলেন। শুধু অধ্যবসায়ের বলেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জগদীশচন্দ্র বসু, কাজী নজরুল ইসলাম প্রমুখ মনীষীগণ বিশ্বখ্যাত হয়েছেন। পক্ষান্তরে, অধ্যবসায়ের অভাবে অনেক সম্ভাবনাময় জীবনও অকালে ঝরে যায়। অধ্যবসায়হীন ব্যক্তি জগতের কোনো কাজেই সফলতা লাভ করতে পারে না। তার জীবন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। অধ্যবসায়ীকে কখনোই অসহিষ্ণু হলে চলবে না। অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতাকে অর্জন করা যেমন সম্ভব তেমনি যোগ্যতার বলে অনেক প্রতিকূলতা কাটিয়ে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে যাওয়াও বিচিত্র নয়। এক্ষেত্রে যেটা সবচেয়ে জরুরি তা হচ্ছে নিজের ওপর পরিপূর্ণ আস্থা। তাই অধ্যবসায়ী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে কবি বলেছেন-
‘ধৈর্য ধরো, ধৈর্য ধরো! বাঁধো বাঁধো বুক,
শত দিকে শত দুঃখ আসুক আসুক।’
ব্যক্তিজীবনে অধ্যবসায়ের গুরুত্ব:
ব্যক্তিজীবনে অধ্যবসায়ের গুরুত্ব সর্বাধিক। সব মানুষের শক্তি সমান নয়; কিন্তু সবাই উন্নত জীবনের প্রত্যাশী। এ ক্ষেত্রে যদি অধ্যবসায়ের যথার্থ প্রয়োগ করা যায়, তার শক্তির স্বল্পতা সাফল্যের পথে কোনো বাধা হয়ে থাকে না। জীবনে অতি সহজে কোনো কিছু পাওয়ার সুযোগ নেই। কেউ কারো জন্য সুখের উপকরণ প্রস্তুত করে রাখে না; বরং মানুষকে তার প্রয়োজনীয় উপকরণ নিজস্ব যোগ্যতা অনুসারে সংগ্রহ করে নিতে হয়।
ছাত্রজীবনে অধ্যবসায়:
ছাত্রজীবনে অধ্যবসায়ের গুরুত্ব অত্যধিক। একজন অধ্যবসায়ী ছাত্র বা ছাত্রী অল্প মেধাসম্পন্ন হলেও তার পক্ষে বিদ্যার্জনের কষ্টের পথ অতিক্রম অসম্ভব নয়। এ সম্পর্কে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন,
‘কোনো কাজ ধরে যে উত্তম সেই জন
হউক সহস্র বিঘ্ন ছাড়ে না কখন।’
জাতীয় জীবনে অধ্যবসায়ের গুরুত্ব:
মানুষ বিদ্যুৎ আবিষ্কার করে দূর করেছে আঁধার, বিমান আবিষ্কার করে জয় করেছে আকাশ, রকেটের সাহায্যে অর্জন করছে চন্দ্র বিজয়ের গৌরব। আর এসব সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে মানুষের যুগ যুগান্তরের সাধনা, তাঁর অবিরাম অধ্যবসায়। বর্তমান সভ্যতার যুগে মানুষ নিজ নিজ কৃষ্টি ও সভ্যতা অর্জন করতে চায়, পৌঁছতে চায় সভ্যতার চরম শিখরে। কিন্তু নানা প্রতিকূলতায় তা সহজে হয়ে ওঠে না। কোনো সভ্যতাই একদিনে গড়ে ওঠে নি। বার বার চেষ্টা ও সাধনার দ্বারা পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সৃষ্টির প্রথম মানবগোষ্ঠীর সভ্যতাও স্তরে স্তরে গড়ে উঠেছে। বস্তুত সামগ্রিকভাবে একটি জাতির সগৌরবে আত্মপ্রতিষ্ঠার জন্য সকল নাগরিকেরই অধ্যবসায়ী হওয়া প্রয়োজন। পৃথিবীর বুকে তখনই মর্যাদাপূর্ণ জাতি হিসেবে সগৌরবে আত্মপ্রতিষ্ঠা লাভ সম্ভব যখন জাতীয় উন্নয়নে দল মত নির্বিশেষে সবাই সর্বশক্তি দিয়ে আত্মনিয়োগ করবে। তাই জাতীয় জীবনে অধ্যবসায়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
অধ্যবসায় ও উন্নত বিশ্ব:
উন্নত বিশ্ব কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আর কর্মের সঙ্গে অধ্যবসায়ের রয়েছে ওতপ্রোত সম্পর্ক। অধ্যবসায়ের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, রাশিয়া, ফ্রান্সসহ আরো কয়েকটি দেশ সাফল্যের শিখরে আরোহণ করেছে।
অধ্যবসায় ও বাঙালি জাতি:
আমরা বাঙালি জাতি। দুঃখজনক হলেও এ কথা সত্য যে, আমাদের অনেকের মধ্যে অধ্যবসায়ের মহৎ গুণটি অনুপস্থিত। আমাদের মধ্যে নেই কোনো প্রচেষ্টা, নেই কোনো উদ্যম, কোনো আগ্রহ। বরং আছে আস্ফালন, হুঙ্কার, গরিমা ও নিজেকে প্রকাশ করার মিথ্যে বাহাদুরি। কেবলমাত্র অধ্যবসায়ের অভাবে আজ আমরা এত পিছিয়ে আছি। জাতি হিসেবে আমরা তাই অনুন্নত। সুতরাং আর একটি মুহূর্তও বিলম্ব না করে নিজেদেরকে অধ্যবসায়ী রূপে গড়ে তোলা খুবই জরুরি
অধ্যবসায়হীনতার কুফল:
অধ্যবসায়হীনতার সমার্থক শব্দ হলো ‘আলস্য’। আলস্য মানবজীবনে ডেকে আনে বিপর্যয় ও ধ্বংস। অধ্যবসায়হীনতার কারণে আমাদের চারপাশের অনেক সম্ভাবনাময় জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ কথা স্মরণীয় যে ‘সুন্দর দিন সকলের জন্য অপেক্ষা করে; কেউ চেষ্টা করে ডেকে আনে, কেউ আনে না’—এই আনা-না আনার সঙ্গেই অধ্যবসায়ের সম্পর্ক।
উপসংহার:
‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’
-অধ্যবসায় সম্পর্কিত একটি পরম সত্য প্রবাদ। যে ব্যক্তি অধ্যবসায়ী নয়, সে জীবনের কোনো সাধারণ কাজেও সফলতা লাভ করতে পারে না। জীবনের সফলতা এবং বিফলতা অধ্যবসায়ের ওপরই নির্ভর করে, তাই আমাদের সকলের উচিত অধ্যবসায়ের মতো মহৎ গুণটিকে আয়ত্ত করা, পরশপাথরের মতো এই পাথরটিকে ছুঁয়ে দেখা এবং সোনার কাঠির মতো একে অর্জন করা। মনে রাখতে হবে অধ্যবসায়ই জীবন, জীবনই অধ্যবসায়।

Please comment Here (ভাল লাগলে কমেন্ট করুন)