ইভটিজিং বাংলা প্রবন্ধ রচনা

0
430

ভূমিকা :বর্তমানে আমাদের সমাজে ইভটিজিং একটি ভয়াবহ সমস্যা । এ সমস্যা দিন দিন মারাত্মক আকার ধারণ করছে । মানুষ সামাজিক জীব সমাজে প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয় । প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই ইভটিজিং এর নির্মম বর্বরতা খবর আমাদের মনে আঘাত হানে । মনের গভীরে কেবল একটি প্রশ্ন জমা হয় , আমরা কি ক্রমশ সভ্যতার উৎকর্ষের পথে হাঁটছি ? নাকি আদিম বর্বরতার দিকে অগ্রসর হচ্ছি ?  অথবা এই ধারাবাহিক অন্ধকারের শেষ কোথায়?

মানুষ হিসাবে নান্দনিক চেতনার পরিচর্যা :  প্রতিটি মানুষের মধ্যে একটি সৌন্দর্য চেতনা থাকে । এই সৌন্দর্যচেতনা থাকে মানবসত্তার মর্মমূলে । তবে সভ্য মানুষ হিসেবে মনুষ্যত্বের চেতনা অর্জনের শেষ কথা নয় বরং জীবনে তার পরিচর্যা প্রয়োজন । মানব জীবনকে যথাযথ সৌন্দর্যমন্ডিত করে তোলে তার নৈতিক মূল্যবোধ ও চেতনা । নৈতিকতাবোধ মনুষ্যত্ব বোধের অবিচ্ছেদ্য অংশ.। অনেক সাধনা করে মনুষত্ববোধ অর্জন করতে হয়।

নৈতিকতা ও মূল্যবোধ: নৈতিকতা ও মূল্যবোধ ও মানব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ । সততা, মানবিক চেতনা ইত্যাদি গুনের সমন্বয় নৈতিকতা প্রকাশিত হয় । মানুষ যতদিন বিবেকবান ও মানবতার ধারক হিসেবে এই নৈতিক আদর্শকে সমুন্নত রাখে ততদিন মনুষ্যত্বের গৌরব প্রকাশিত হয়।

ইভটিজিং ও সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান : দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতি 1 সেকেন্ডে একজন নারী ইভটিজিং এর শিকার ।ইভটিজিং একটি সামাজিক ব্যাধি । সম্প্রতি বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত ও নিন্দনীয় ঘটনা ইভটিজিং ।বাংলাদেশের প্রতি 100 জন নারীর মধ্যে কোন না কোন ভাবে ইভটিজিং এর শিকার ।

ইভটিজিং কি: ইভ কি হলো আদি মাতা  বা মুসলমান ধর্ম মতে হাওয়া ।  টিজিং শব্দের অর্থ কটুক্তি বা উত্যক্ত করা । সম্প্রতি বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি দেশে খুব আলোচিত শব্দ ।

ইভটিজিং ও সামাজিক অবক্ষয়: ইভটিজিং একটি সামাজিক অবক্ষয় । জাগ্রত বিবেক সম্পন্ন মানুষ পৃথিবীর অমূল্য সম্পদ । কিন্তু কখনো কখনো আমাদের সমাজে নৈতিক মূল্যবোধের অভাব দেখা দেয় । তখন আমাদের সমাজ ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি হয় । বর্তমানে আমাদের সমাজে এমন ইভটিজিং । বাংলাদেশের অধিকাংশ নারী কোনো না কোনো সময়ে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন।

ইভটিজিং কি এবং সামাজিক ক্ষেত্রে নারীর অবস্থান : মানবজাতির অর্ধেক অংশ নারীরা আজ বৈষম্যের শিকার ।আমাদের দেশে প্রচলিত সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জালে আবদ্ধ নারী সমাজ । শিক্ষা সামগ্রিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ ইত্যাদি নানা রকম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত যদিও নারীরা কোন অংশে পিছিয়ে নেই ।জীবিকার প্রয়োজনে ও আর্থসামাজিক কারণে নারীরা কর্মক্ষেত্রে অংশ নিচ্ছে।

ইভটিজিং এর বিভিন্ন ধরন : সাধারনত মেয়েদের উদ্দেশ্যে ছুড়ে দেওয়া কিশোর-তরুণদের বিভিন্ন মন্তব্য চোখ টিপ দেওয়া ওড়নার আচল টান দেওয়া ভিড়ের মধ্যে ধাক্কা দেওয়া অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি যানবাহন মার্কেটে নারীকে দেখে খোঁচা দেওয়া সর্বোপরি মেয়েদের হয়রানি করা কে বলা হয় ইভটিজিং । এছাড়া তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধনের ফলে মোবাইলে ছবি তুলে বিরক্ত করা আপত্তিকর মেসেজ পাঠানো এবং ফেসবুকের মাধ্যমে টিচ করা ও ইভটিজিং বলে গণ্য ।

ইভটিজিং এর সাথে জড়িত যারা: আমাদের সমাজে যারা নৈতিকতাকে ভুলে গেছে সামাজিক ও পারিবারিক সুশিক্ষা যাইনি তারাই মূলত ইভটিজিং এর সাথে জড়িত । নেশাখোর কিশোর যুবক যারা পারিবারিক শিক্ষা পায়নি তার সাথে জড়িত । আমাদের সমাজে করা মেয়েদের উত্যক্ত করা একটি কাজ বলে মনে করে । তারা আর পাঁচটা মেয়েদের স্কুলের গেটের সামনে ডিউটি করা কি অফিশিয়াল দায়িত্ব মনে করে । এরা সবাই ইভটিজার ।

ঘৃণ্য ইভটিজিংয়ের শিকার যারা :আমাদের সমাজের নারীরা এই ভয়ঙ্কর সমাজের শিকার । যারা প্রতিনিয়ত ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে তারা অধিকাংশ স্কুল কিংবা কলেজ শিক্ষার্থী যাদের বয়স 14 থেকে 28 বছরের মধ্যে ।ফল অনেক লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক অভিভাবক পড়া বন্ধ করে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন এটা একধরনের মানসিক অশান্তি।

নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় :বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । আমাদের দেশে কত এভাবে রাস্তার কোন স্থান না থাকলেও যেভাবে বিস্তার লাভ করছে প্রতিদিন সংবাদ পত্র পাঠ করলে তা বুঝা যায় ।

সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার বর্ণনা: ইফটিজিং এর ভয়াবহতার দিক টি আমাদের চোখের আমাদের চোখে ধরা পড়ে চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্র আক্তারের আত্মহত্যার ঘটনার মধ্য দিয়ে । 2001 সালে কিছু উত্ত্যক্তকারীবখাটেরা প্রতিবাদ করতে গিয়ে নেতিবাচক অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছে । ফলে ক্ষোভে দুঃখে অভিমানে আত্মহননের পথ বেছে নেয় । একই ধরনের ঘটনার শিকার হয় মিরপুরের ফাহিমা খাতুন খুলনা গাইবান্ধা সরাসরি নিজের জীবনের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা বেড়েই চলছে স্কুল কলেজ মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতার কারণে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে ঘর কুনো জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে ।

ইভটিজিং এর ধরন: ইভটিজিং হলো নৈতিক আদর্শ বিরোধী কাজ এ ধরনের ঘৃণ্য কাজ নানা ধরনের হয়ে থাকে ।যেমন- ১। স্কুল-কলেজগামী মেয়েদের পছনদ করে তাদের সম্পর্কে অশ্লীল মন্তব্য বিকৃত অঙ্গ-ভঙ্গির প্রদর্শন করা । ২। কর্ম ক্ষেত্রে নারীদের চলার মত নানা রকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাদের সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য বিকৃত অঙ্গ-ভঙ্গির প্রদর্শন করা । .৩। বাসে ট্রেনে যাতায়াত করে বিভিন্ন বয়সী যাত্রী কর্মজীবী মহিলাদের নানান রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে ফেলে বিব্রত করা যেমন অতিরিক্ত যাত্রী করতে নারীদের গায়ে হাত দেওয়া । ৪। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে যেমন আপত্তিকর কল করা এসএমএস পাঠানো বারবার মিসকল দাও ইত্যাদি ফেসবুকের মাধ্যমে মেয়েদের উদ্দেশ্যে মেয়েদের উদ্দেশ্য করে সাজানো অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা ।

ইভটিজিং এর প্রভাব: ইভটিজিং এর পূর্বে আমাদের সমাজে নানা রকম সমস্যা দেখা যায় । এক ইভটিজিং এর ফলে মেয়েদের অধিকার ও স্বতঃস্ফূর্ততা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে মেয়েদের প্রাপ্ত অধিকার ও স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে । চরমভাবে মেয়েদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে জীবন বিকাশের পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে । মেয়েরা প্রকাশ্য অপমানিত হয়ে আত্মসম্মানবোধ হারিয়ে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা হীনতা থেকে সৃষ্ট মানসিক চাপ সহ্য না করতে পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছেন । অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ কমে যাচ্ছে এবং তাদের মূল্যবান অবদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । ছোটবেলা থেকেই বিধি নিষেধের বেড়াজালে বন্দি করে রাখা হচ্ছে । তাছাড়া ছেলে মেয়ে বৈষম্যের ফলে বয়সন্ধিকালীন কৌতুহলের কারণেই ইফটিজিং এর মত অপরাধ ঘটছে । যার সামগ্রিক প্রভাব পড়েছে সমাজের অভিভাবকেরা নিরাপত্তার অভাবে মেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে।

আইনের ব্যাখ্যা :আমাদের দেশে প্রচলিত আইনে বলা আছে 240 এবং 509 ধারা অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ 1976 দণ্ডবিধি 509 ধারা মোতাবেক যদি কোন নারীর শালীনতা করার জন্য কোন মন্তব্য প্রদর্শন করে তাহলে ওই ব্যক্তি এক বছর কারাদণ্ড অর্থদণ্ড দন্ডিত হবে ।

অনলাইন অপরাধের শাস্তি: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইনে বলা আছে ।মোবাইল বা অন্য কোন টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি বেকার যন্ত্রপাতির সাহায্যে কোন মেয়ের অশ্লীল ছবি গুরুত্বপূর্ণ অপমানজনক মন্তব্য হুমকি প্রদর্শন করলেও অনধিক পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান করে আইন সংশোধন করা হয়েছে । এছাড়া 18 বয়সের ছেলেদের কাছে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে । এক বছরের কারাদণ্ড 2 লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে হবে হবে ।

ইভটিজিং এর কারণ: সামাজিক মূল্যবোধের অভাব একটি দিনের মতো ঘটনা । প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে ধর্মীয় জ্ঞান ও পারিবারিক অনুশাসন এর অভাব । এর মধ্যে পড়েছে এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান ও প্রবাসী পরিবারের ছেলেরা   ইভটিজিং এর সাথে জড়িত ।

ইভটিজিং প্রতিরোধ :রচনা সচেতনতা সমাজ নির্মাণ নারীকে সম্মানের চোখে দেখতে হবে । নারীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিরোধে প্রতিটি কৃষক আত্মহত্যা করতে হবে । নারীর প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে । তবে ইভটিজিং এর প্রতিরোধ পরিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ।

পরিবারের ভূমিকা :পরিবার হলো একজন মানুষের প্রথম শিক্ষা কেন্দ্র । পরিবার থেকে প্রথম ইফটিজিং এর বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির কাজ শুরু করতে হবে। ঘটনার জন্য দায়ী না করে বরং মানবিক সমর্থন দিতে হবে । যাতে সে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে আপনার সন্তানের সাথে জড়িত হলে তাকে সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে । মনে রাখতে হবে আজ ঘটনা চাপা দিলে আপনার সন্তান সন্তানের শিকার হতে পারে ।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা: শিক্ষাই পারে সমাজের মূল্যবোধ বাড়াতে । নৈতিক মূল্যবোধ শিক্ষার বিকল্প নেই । তাই শ্রেণিকক্ষে বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা উচিত । যাতে ভবিষ্যৎ নাগরিকদের সম্পর্কে সচেতন হয় এবং একটি খারাপ কাজ থেকে কোন শিক্ষার্থীদের যুক্ত থাকলে থাকে বুঝানোর দায়িত্ব এবং উদ্যোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ।

রাষ্ট্র ও সমাজের ভূমিকা: ইভটিজিং এর প্রতিরোধে সমাজের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে । শিক্ষা আত্মকর্মসংস্থান বেকারত্ব দূর স্কুল কলেজ থেকে ছাত্রদের ঝরে পড়ার হার কমানো দিতে হবে । নিরাপত্তা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে  । নাটোরের কলেজ শিক্ষক মিজানুর রহমান প্রতিবাদ করতে গিয়ে জীবন দেন । এ ঘটনার কান্না থামাতে ফরিদপুর মধুখালী তার হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন চাপা রানী ।ভৌমিক তারা দুজনে জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন পারিবারিকভাবে সামাজিক ভাবে প্রতিহত করতে হবে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হলে প্রতিরোধ করা সম্ভব ।

ইভটিজিং রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা: ইভটিজিং নিয়ে গণমাধ্যমে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে সবার সমালোচনা হয়েছে । কিন্তু তাতে সমস্যাটা তো দূরের কথা দিন দিন বাড়ছে সুন্দর মানুষ ও শান্তিময় সমাজ গঠনের জন্য সম্মিলিতভাবে ইভটিজিং প্রতিরোধ গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য । সমাজের সবার সচেতনতা একটি আদর্শ সমাজ গঠনে ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে একটি সামাজিক আন্দোলনের প্রয়োজন ।

নারী বান্ধব পরিবেশ: নারী বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এজন্য রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সচেতনতা প্রয়োজন । প্রয়োজন আইনের যথাযথ প্রয়োগ । যেমন- ঢাকা শহরে একটি হোটেলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে তার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেকাংশে দায়ী ।

এভাবে আর কত দিন: দিন দিন পত্রিকা মদিনার ভয়ানক ক্রাইম এ রূপ নিয়েছে । স্বপ্না তৃষা তিথির মত হাতে গোনা কয়েকজন কয়েকজন দুঃখের কথা জানতে পেরেছি । সংবাদ মাধ্যমে কিন্তু হাজার শিক্ষার্থীদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে শহর গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ।

উপসংহার: এর মতো সামাজিক সমস্যা যেন আর না বৃদ্ধি পায় । তার জন্য আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে ।একটি সামাজিক ব্যাধি কেউ যাতে এ ধরনের অপরাধে জড়িয়ে থাকতে না পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । নারীকে দক্ষ যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে নারী হিসেবে জন্ম নিয়ে নারী হিসেবে জন্ম নিয়েছে বলে কেউ যেন আর অপমানিত না হয় । নারীর অসম্মান প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে । জাতির কল্যাণের দিক বিবেচনা করে সকলকে এগিয়ে আসা উচিত।

Please comment Here (ভাল লাগলে কমেন্ট করুন)