বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বুয়েট প্রকৌশল,
পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িত্ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদসমূহের বিভিন্ন
বিভাগে স্নাতক শ্রেণীতে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি
বিজ্ঞপ্তি ও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বুয়েট এর ভর্তি পরীক্ষা ২০১৯-২০২০ এর তারিখ ০৫ অক্টোবর এর পরিবর্তে ১৪ অক্টোবর, সোমবার ২০১৯ নির্ধারণ করা হয়েছে। অনলাইনে ৩১ আগস্ট
২০১৯, শনিবার, সকাল ১০:০০ টা থেকে ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদানের শেষ তারিখ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার বিকাল
৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত। “ক” গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এর
জন্যে আবেদন ফি ৯০০টাকা ও “খ” গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ
এবং স্থাপত্য বিভাগ এর জন্যে আবেদন ফি ১১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৬ অক্টোবর ২০১৯ তারিখ, শনিবার

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা

যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২০১৬ বা ২০১৭ সালে মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৯ সালে উচ্চ
মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, অথবা
২০১৬ সালে মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিক বা তার

সমমানের পরীক্ষার সংশোধিত ফলাফল ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখের পরে শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত হয়েছে, অথবা ২০১৫ সালের নভেম্বর বা তার পরে GCE O লেভেল এবং ২০১৮ সালের নভেম্বর বা তার পরে GCE A লেভেল সার্টিফিকেট প্রাপ্ত হয়েছে,অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে
শুধুমাত্র তারাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবে৷ যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ইতিপূর্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে
বা অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা এই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না৷

[ক] প্রার্থীদেরকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫.০০ এর স্কেলে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/
দাখিল/সমমানের পরীক্ষায় পাশ অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে৷

প্রার্থীদেরকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫.০০ স্কেলে কমপক্ষে ৪.৫০ এবং গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিনটি বিষয়ে ৬০০ নম্বরের মধ্যে ন্যুনতম ৪৮০ নম্বর পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক/আলীম/ সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে৷

যে সব প্রার্থী ২০১৬ সালে মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কিন্তু উচ্চ
মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় তাদের সংশোধিত ফলাফল ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
তারিখের পরে শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত হয়েছে, তাদেরকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন, ইংরেজী ও বাংলা বিষয় পাঁচটির
মোট জিপি ন্যূনতম ২২.৫০ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক/আলীম/সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে অথবা
বেদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে।

সকল সঠিক আবেদনকারীর মধ্য হতে নিম্নে উল্লেখিত নির্ধারিত নম্বরের ভিত্তিতে বাছাই করে ১ম থেকে ১২,০০০তম সকল আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে৷ এই বাছাইয়ের জন্য যথাক্রমে
আবেদনকারীর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয় তিনটিতে প্রাপ্ত মোট নম্বর, গণিতে প্রাপ্ত নম্বর এবং পদার্থবিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বরকে
অগ্রাধিকারের ক্রম হিসাবে বিবেচনা করা হবে। উল্লেখ্য যে,
যেসব আবেদনকারী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বিবেচিত হবে না, তাদের আবেদনের সময় প্রদত্ত ফি হতে ২০০ টাকা সার্ভিস চার্জ কর্তন করে অবশিষ্ট অর্থ ফেরত দেয়া হবে।

[খ] GCE O লেভেল এবং GCE A লেভেল পাশ করা প্রার্থীদেরকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCE O লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি বিষয় (গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজি সহ) এর প্রতিটিতে কমপক্ষে B গ্রেড এবং GCE A লেভেল পরীক্ষায় গণিত,
পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিন বিষয়ের প্রতিটিতে কমপক্ষে A গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে৷ নুন্যতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে GCE O লেভেল এবং GCE A লেভেল
পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে৷

[গ] নুন্যতম যোগ্যতা পূরণসাপেক্ষে ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীভুক্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায়
অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে৷ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত আবেদনকারীদের তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে, প্রকাশ করা হবে৷

বুয়েট আসন সংখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীভুক্ত
প্রার্থীদের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ ও নগর ও অঞ্চল
পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট ৩টি এবং স্থাপত্য বিভাগে ১টি সংরক্ষিত আসনসহ সর্বমোট আসন সংখ্যা ১০৬০ টি৷

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

 এখান থেকে ডাউনলোড।

Please comment Here (ভাল লাগলে কমেন্ট করুন)