ড্রোনে ডেলিভারির শীর্ষে পূর্ব আফ্রিকা

0
460

ড্রোন—ছোট আকৃতির এই উড়ুক্কু যানের জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধিই পাচ্ছে। ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন কাজে। ড্রোন এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে পণ্য সরবরাহের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। কারণ এ ব্যাপারে গবেষণা চালাচ্ছে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। অনেক দেশও ইতিমধ্যে গবেষণা শুরু করেছে এ বিষয়ে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার পূর্ব আফ্রিকান দেশ তানজানিয়া সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ড্রোনে পণ্য সরবরাহ সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যেই জরুরি ওষুধ সরবরাহের জন্য এ ড্রোন সুবিধা ব্যবহার করবে দেশটি।

‘জিপলাইন’ নামের একটি ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে দেশটি ইতিমধ্যে চারটি সরবরাহ কেন্দ্র উন্মোচন করেছে। কেন্দ্রগুলো থেকে ১০০টি ড্রোনের মাধ্যমে প্রতিদিন ২ হাজার বার পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। তানজানিয়ার পার্শ্ববর্তী দেশ রুয়ান্ডা এর আগেই ড্রোনসেবা চালু করে। দেশটি এরই মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জরুরি ওষুধ সরবরাহ করেছে। তাদের দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েই নিজেদের ড্রোনসেবা চালুর কথা ঘোষণা দেয় তানজানিয়া সরকার। তবে এর আগে ড্রোনসেবার নিরাপত্তা নিয়ে খুবই শঙ্কিত ছিল দেশটি। দেশটির সরকার বলছে, ‘যদি আফ্রিকারই আরেকটি দেশ ড্রোনসেবা দিতে পারে, তবে আমরা কেন নয়। নিরাপত্তার স্বার্থে আগে এই সেবা চালু না করলেও এখন এ বিষয়ে আমরা খুবই আগ্রহী।’ এর আগে বছরে মাত্র চারবার জরুরি প্রয়োজনে ড্রোন দ্বারা পণ্য সরবরাহ করত দেশটি।

তানজানিয়া সরকার ড্রোনসেবা চালু করতে এক বছরের জন্য জিপলাইনের সঙ্গে চুক্তি করেছে। তবে ভবিষ্যতে আরও প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। উন্নত রাষ্ট্র গড়ে তুলতে এটাই আফ্রিকার দেশের প্রথম উদ্যোগ না হলেও ড্রোনসেবায় তানজানিয়াই প্রথম এত বড় পরিসরে পদক্ষেপ নিল। এতে ড্রোনের মাধ্যমে পণ্য ডেলিভারি সেবায় পূর্ব আফ্রিকা পুরো বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে চলল।

সূত্র: সিএনএন

Please comment Here (ভাল লাগলে কমেন্ট করুন)