অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে ইসলাম কি বলে জানুন?

0
232

অবৈধ সম্পর্ক হলো সামাজিক রীতি নীতি, ধর্মীয় রীতি নীতি বা আইন সম্মত বিধি নিষেধ না মেনে সম্পর্ক স্থাপন করা।

আপনি কি আপনার গার্লফ্রেন্ডের সাথে রাত কাটিয়ে নিজেকে খুব গর্বিত মনে করছেন? অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ডের সাথে রাত কাটাবেন বলে প্লান করছেন? অথবা গার্লফ্রেন্ডকে কোন হোটেল বা বাসায় নিয়ে দুজন নির্জনে কিছু রোমাঞ্চকর মুহূর্ত কাটাবেন এবং জৈবিক চাহিদা মিটাবেন বলে ভাবছেন? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্যই।

অনেকেই দেখি, গার্লফ্রেন্ডের সাথে রাত কাটিয়ে এসে, বন্ধুদের সাথে রাতে কি করছে না করছে তা নিয়ে হাঁসি ঠাট্টা করে। আমি তাদেরকে বলবো, ভাই এত ক্যালায়েন না। অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনে আপনি রাতে আর কি মজা পাইছেন, আপনার আসল মজাতো মৃত্যুর পরে পাবেন। যখন ফেরেস্তারা আপনার লিঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে জাহান্নামের আগুনে ঝুলিয়ে লোহার ডান্ডা দিয়ে পিটাবে, আর আপনি চিৎকার করতে থাকবেন। আপনি অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের এই মজার জন্য অপেক্ষা করতে থাকুন যদি তওবা না করে থাকেন।

অবৈধ সম্পর্ক সম্বন্ধে যবূর কিতাবে বর্ণিত আছে, “ব্যভিচারী নারী-পুরুষের লিংগ রশি দ্বারা বেঁধে জাহান্নামের আগুনে ঝুলানো হবে এবং লোহার ডান্ডা দিয়ে তাদের জননেন্দ্রিয়ে আঘাত করা হবে। আঘাতের যন্ত্রণায় যখন চিৎকার করবে, তখন জাহান্নামের ফেরেশতারা বলবে; পৃথিবীতে যখন তোমরা আনন্দ ফুর্তি করতে, হাসতে এবং আল্লাহর কথা স্মরণ করতে না এবং তাঁকে লজ্জা পেতে না, তখন এ চিৎকার কোথায় ছিল”?
ইসলামের যেনার কোনো স্থান নেই। মৃত্যুর পরও যেনাকারী উলংগ অবস্থায় কেয়ামত পযন্ত আগুনে জ্বলবে। রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যেনাকার ও যেনাকারীনি কেয়ামত পর্যন্ত উলঙ্গ অবস্থায় আগুনে জ্বলতে থাকবে। [ বুখারী, মিশকাতঃ ৪৬২১] সুতরাং ভেবে দেখুন, আর সময় থাকতেই অবৈধ সম্পর্ক থেকে সাবধান হয়ে জান। এসব গার্লফ্রেন্ড মালফ্রেন্ড বাদ দিয়ে, আল্লাহর কাছে তওবা করে, নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করুন। Otherwise মৃত্যুর পর কান্নাকাটি করে কোন লাভ হবে না। যা কান্নাকাটি করার এখনই করে নিন। আস্তাগফিরুল্লাহ। আস্তাগফিরুল্লাহ। আস্তাগফিরুল্লাহ। আল্লাহ, দয়াকরে আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও। আমিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here