অনলাইন এ shop[শপ] তৈরি করার জন্য প্রাথমিক ভাবে যা প্রয়োজন

0
263

অনলাইন শপ করতে চাইলে SEO/HTML/CSS শিখতে হবে কথাটা একদম ভুল! আপনি ওগুলো নিয়ে লাইফ পার করলে ব্যাবসা করবেন কবে? আমি অনলাইনে ই-বুক বিজনেস শুরু করতে চেয়েছিলাম। তার জন্য HTML শিখতে যেয়ে শেষমেশ প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপারই হয়ে যেতে হয়েছে। আজ অবধি আর ই-কমার্স করা হয়ে ওঠেনি!

অনলাইন শপ তৈরি করতে যা যা প্রয়োজন তা স্টেপ বাই স্টেপ বলিঃ

১। একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটঃ
এটি আপনি বেসিক ভাবেও করতে পারেন শুরু করার জন্য। যে কোন প্লাটফর্মই পছন্দ করতে পারেন। ৬-৭ হাজার টাকার মধ্যেই সম্ভব একটি মান সম্পন্ন ই-কমার্স সাইট। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আমরা অন্ততঃ কম খরচ সাপোর্টটা দিয়ে থাকি!
ওয়েবসাইটের সাথে থাকে – সুন্দর একটি নাম এবং সম্পৃক্ত ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন। সাথে হোস্টিং।
ছোটখাট একটা সাইটের জন্য সর্বসাকুল্যে বার্ষিক ২ হাজার টাকা রিনিউ ফি লাগতে পারে।

২। আপনার প্রোডাক্টের সাপ্লাইঃ
যতটা সম্ভব মিডেল ম্যান ঝেড়ে ফেলুন। খুবই সহজে যেন প্রোডাক্টটি পুনরায় খুজে পান সেটা মাথায় রাখুন। অনেকসময় বিশেষ কোন প্রোডাক্টের চাহিদা বেশি থাকার ফলে আবার সাপ্লাই প্রয়োজন হতে পারে।

৩। মার্কেট/টার্গেট অডিয়েন্সঃ
নীশ মার্কেটিং হচ্ছে বড় একটা ব্যাপার। ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে বড় মার্কেট কখনোই সুফল বয়ে আনে না। মার্কেট টা ছোট করে ফেলুন- কিংবা ভোক্তার শ্রেনী ছোট করে ফেলুন।

যেমন- আপনি অনলাইন নিউজপেপার করবেন। যদি ন্যাশনাল ভাবে করেন, টক্কর দিতে হবে বিডিনিউজ, বাংলানিউজ কিংবা রাইজিংবিডির সাথে। কোটি টাকা ব্রান্ডিং এ খরচ করলেও এদের টিকিটি ছোয়াও দায়! আর জাতি আপনার পত্রিকা কেনই বা পড়বে? এর উত্তরের জন্যও কিন্তু কম কাঠ-খড় পোড়াতে হবে না! আর যদি আপনি এমন করলেন যে আপনার গ্রামের বাড়ি ধরুন হবিগঞ্জ- আপনি একটি আঞ্চলিক পোর্টাল করলেন- দেখবেন, সেই এলাকার পাঠকেরা আপনাকেই বেশি স্থান দেবে। বা আপনি একটা নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির লোকদেরকে টার্গেট করলেন।

ই-কমার্সের ক্ষেত্রে যেমন আপনি ছোট কোন মার্কেট যদি খুজে পেতে পারেন- সেই কাস্টমারেরা আগে আপনার কাছে আসবে, পরে যাবে বিক্রয়, দারাজ কিংবা এখানেই-এ। উদাহর্ণ স্বরুপ RC Shop BD এর কথাই বলা যেতে পারে। আপনি কি করবেন তা নিয়ে আপনিই রিসার্চ করুন।

আর হ্যাঁ- ড্রিম প্রজেক্ট এবং ব্যাবসা এক নয়। ছোট থেকে করতে হলে আগে দেখুন কোন মার্কেটটার ক্রেতা অলরেডি আপনার হাতে আছে? সেখান থেকে শুরু করুন! পরে ড্রিম প্রজেক্ট। তবে দু’টো যদি একই হয় তাতে সমস্যা নেই।

৪। আপডেট ও ট্রেন্ডঃ
আমাদের দেশে ট্রেন্ড একটা বড় ব্যাপার। যখন যেটা আরকি! যেমন- এখন DSLR ও বিক্রি হয় সেলফির লোভ দেখিয়ে। কিচ্ছু করার নেই- ওটাই ব্যাবসা। ওকেশনাল কালেকশন রাখুন, অফার দিন। সোশাল মিডিয়ায় ক্রেতাদেরকে এঙ্গেজ রাখুন- বলা যেতে পারে জিয়িয়ে রাখুন। পারলে ফেসবুকে বিভিন্ন প্রোডাক্ট সম্পর্কে স্পন্সর্ড টিউন অর্থাৎ বুস্ট করুন। পেইজ-সাইট উভয় জায়গাতেই আপডেটেড থাকুন।

৫। ধৈর্য্যঃ
সময়, মাণ এবং অথেন্টিক চিন্তাধারা নিয়ে এগিয়ে যান- ভাল করবেন

প্রয়োজনে আমার সহযোগিতা নিতে চাইলে- ০১৯৫২২০৯১২৫
ধন্যবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here