মঙ্গলে যাওয়ার সব টিকিট শেষ

0
477

মঙ্গলে যাওয়ার সব টিকিট শেষভিন গ্রহে বসতি গড়ার লক্ষ্যে বিশ্বে চলছে তুমুল আয়োজন। অন্যান্য উন্নত দেশের পাশাপাশি ভারতও এগিয়ে এসেছে। তাই, মঙ্গলে যাওয়ার জন্য প্রায় এক লাখ ৩৯ হাজার ভারতীয় টিকিট কেটে ফেলেছে।

২০১৮ সালের ৫ মে মঙ্গলে তাদের নিয়ে যাচ্ছে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা। এই মিশনের জন্য অনলাইনে টিকিট বিক্রি হয়েছে। মঙ্গলে যাওয়ার এই টিকিট বুকিংয়ে ভারতের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়।

যারা মঙ্গলে যাবে, তাদের নাম একটি সিলিকন ওয়েফার মাইক্রো চিপে থাকবে। ইলেক্ট্রন বিমের মাধ্যমে সেসব নাম ঢোকানো হবে। তার পর চিপটি মহাকাশযানের একেবারে মাথায় জুড়ে দেওয়া হবে। নাসার এই মঙ্গল অভিযানে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে ভারত থেকে। সমগ্র বিশ্ব থেকে এখন পর্যন্ত ২৪ লাখ ২৯ হাজার ৮০৭ জনের নাম পেয়েছে নাসা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীনের পরই রয়েছে ভারতের নাম।

মহাকাশ গবেষকরা বলছেন, যেহেতু এ মিশনটি নাসার, ফলে স্বাভাবিকভাবেই মার্কিন মুলুকে বেশি টিকিট বিক্রি হচ্ছে। তবে তাদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ হলো, চীন ও ভারত থেকে এত মানুষের সাড়া।

নাসার গবেষক অ্যান্ড্রু গুড টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহেই টিকিট বুকিং শেষ হয়ে গেছে। আর নাম নেওয়া হচ্ছে না। মোট ৭২০ দিনের এই মিশনে মঙ্গলের নিরক্ষরেখায় পৌঁছবে ২৬ নভেম্বর ২০১৮ সালে। মঙ্গলে পৌঁছবে ২৬ নভেম্বর। পাথুরে গ্রহের গভীরে নজর রাখবে ইনসাইট। ভূকম্পন থেকে ভূবিন্যাস খতিয়ে দেখবে এটি।

এদিকে এক্সোমার্স মিশন ২০২০ সালে তার দ্বিতীয় মিশন পরিচালনা করবে। এক্সোমার্স নামকরণ করা হয়েছে এক্সোবায়োলজির নামানুসারে। এর কাজ হচ্ছে এই লাল রঙা গ্রহটির মাঝে কোনো সুপ্ত প্রাণের অস্তিত্বের দেখা মেলে কি-না, তা নিয়ে অনুসন্ধান করা। প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি বছর আগে মঙ্গলের মাঝে বিপুল পানির অস্তিত্ব ছিল বলে বিজ্ঞানীরা জেনেছেন। এ ধরনের পরিবেশ জীবন ধারণের জন্য অনুকূল বলে তারা মনে করেন। এটি ফসিল আকারেই হোক কিংবা জীবাণু; এটি সন্ধান করাই এক্সোমার্স মিশনের কাজ।

বিজ্ঞানীদের আরেকটি ধারণা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব এখনও থাকতে পারে। এখানে পাথুরে কিছু পৃষ্ঠ রয়েছে, যেসব পৃষ্ঠে জীবন ধারণ করার আলামত পাওয়া কোনো কল্পনাতীত ব্যাপার হতে পারে না। মঙ্গলে দুই ধাপে এ অনুসন্ধানটি চালানো হচ্ছে। এর মাঝে এক্সোমার্স ২০১৬ হচ্ছে প্রথম মিশন। পরবর্তী মিশন হচ্ছে এক্সোমার্স ২০২০।

Please comment Here (ভাল লাগলে কমেন্ট করুন)